<bgsound src="flash/guni.wav">
 
Links
 
এ পর্যন্ত পড়েছেন
জন পাঠক
 
 
সর্বমোট জীবনী 315 টি
ক্ষেত্রসমূহ
সাহিত্য ( 37 )
শিল্পকলা ( 18 )
সমাজবিজ্ঞান ( 8 )
দর্শন ( 2 )
শিক্ষা ( 17 )
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ( 8 )
সংগীত ( 10 )
পারফর্মিং আর্ট ( 10 )
প্রকৃতি ও পরিবেশ ( 2 )
গণমাধ্যম ( 8 )
মুক্তিসংগ্রাম ( 153 )
চিকিৎসা বিজ্ঞান ( 3 )
ইতিহাস গবেষণা ( 1 )
স্থাপত্য ( 1 )
সংগঠক ( 8 )
ক্রীড়া ( 6 )
মানবাধিকার ( 2 )
লোকসংস্কৃতি ( 0 )
নারী অধিকার আন্দোলন ( 2 )
আদিবাসী অধিকার আন্দোলন ( 1 )
যন্ত্র সংগীত ( 0 )
উচ্চাঙ্গ সংগীত ( 0 )
আইন ( 1 )
আলোকচিত্র ( 3 )
সাহিত্য গবেষণা ( 0 )
ট্রাস্টি বোর্ড ( 12 )
নেত্রকোণার গুণীজন
উপদেষ্টা পরিষদ
গুণীজন ট্রাষ্ট-এর ইতিহাস
"গুণীজন"- এর পেছনে যাঁরা
Online Exhibition
 
 

GUNIJAN-The Eminent
 
মুকশেদ আলী
 
 শহীদ মুক্তিযোদ্ধা মুকশেদ আলী - মোঃ ইউনুছ
trans
সূচনা
মাত্র নয় মাসের যুদ্ধের ১৯৭১ সালে লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে অবশেষে আমরা পেলাম আমাদের প্রিয় স্বাধীনতা। এ যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন এদেশের ছাত্র-শিক্ষক, কৃষক, ব্যবসায়ী, ডাক্তার, রাজনীতিবিদ, আনছার, পুলিশ, স্বশস্ত্র বাহিনী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ অন্যান্য পেশাজীবী নারী-পুরুষ এবং আরো নাম না জানা অসংখ্য মানুষ। এসব শহীদের মধ্যে বারহাট্টা উপজেলা থেকে বিভিন্ন সেক্টরে অংশগ্রহণকারী অনেক মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে একমাত্র শহীদ মুক্তিযোদ্ধা হলেন মোঃ মুকশেদ আলী।

জন্ম ও পরিচয়
তিনি ১৯৪৬ সালে ৩০শে জানুয়ারি নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলাধীন ৬নং সিংধা ইউনিয়নের চন্দ্রপুর গ্রামের লম্বা পাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মরহুম ওয়াহেদ আলী এবং মরহুম মাতার নাম হাছেন বানু। অভাব-অনটন এবং নিষ্ঠুর দারিদ্রতার মাঝে জন্ম নেওয়া সত্ত্বেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত দূরদর্শী এবং পিতা ও মাতার প্রতি ছিল তার অগাদ বিশ্বাস।

শিক্ষা জীবন
১৯৫৭ সালে তিনি স্থানীয় চন্দ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষা সমাপ্ত করে মোহনগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ভর্তি হন। ১৯৬২ সালে সাফল্যের সাথে মাধ্যমিক শিক্ষা সমাপ্ত করেন। ক্রীড়া এবং সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে তাঁর অংশগ্রহণ ছিল প্রশংসাযোগ্য। ফুটবল খেলা ও দেশাত্ববোধক গানের প্রতি সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ ছিল তাঁর।

কর্মজীবন
মাধ্যমিক পাশের পরে সহকারী তহশিলদার পদে নিয়োগ পেয়ে চন্দ্রপুর বাজারে অবস্থিত সিংধা ইউনিয়নের তহশিল অফিসে যোগদান করেন। ইতোমধ্যে ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস সিগন্যাল অপারেটর পদে রংপুরের অধীনে ১০নং উইং এ (নং-১৩৪৪৫) চাকুরীতে যোগদান করেন। চাকুরিকালেই তিনি রংপুরের জসীম উদ্দিন কলেজের মাধ্যমে যথা নিয়মে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন ১৯৫৫ সালে।

যুদ্ধ জীবন
১৯৭১ সালে ২৫শে মার্চ রাতে তিনি ইপিআর থেকে চলে যান ভারতের আসাম রাজ্যের গোইটির বাহিনীপাড়ায় এপিবিএন ক্যাম্পে। সেখানে ইকোওয়ান মুক্তিযোদ্ধা ট্রেনিং সেন্টারে কিছুদিন প্রশিক্ষণ শেষে ৪নং সেক্টরের কমান্ডার মেজর চিত্ত রঞ্জন দত্তের কমান্ডে তিনি শুরু করেন মুক্তিযোদ্ধ। অতপরঃ ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসের শেষের দিকে গোয়াইন ঘাট থানার রাধানগর গ্রামে রেকি পেট্রোল মাইন বিস্ফোরণে নিহত হন। তাঁর মৃতদেহ সিলেটের তামাবিল স্থানে সমাহিত আছে স্থানীয় একটি বিডিআর চেক পোস্টের তত্তাবধানে। শহীদ মুকশেদের জাতীয় গেজেট তালিকা নং-১৫০৩৮ এবং মুক্তি বার্তা নং-০১১৬০৫০১৯২। যুদ্ধ শেষে মেজর সিআরদত্ত চিঠিতে শহীদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। ১৯৭২ সালে শেখ মুজিবর রহমান কর্তৃক সাহায্যস্বরূপ শান্তনা দিয়ে একটি দুই হাজার টাকার চেক এবং শোকবার্তা পাঠান। চেক নম্বর মিত্র ০৩০১৯৩।

পরিশেষে আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি শহীদ মুকশেদের চেতনাই হোক এদেশের প্রতিটি নাগরিকের চেতনা। তাছাড়া শহীদ মুকশেদের স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য বারহাট্টা উপজেলায় একটি স্মৃতি সৌধ নির্মাণ করা হউক। এই প্রত্যাশাই শহীদের শোকাহত দুই বোন ও পরিবারবর্গসহ অত্র উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ।

Share on Facebook
Gunijan

© 2017 All rights of Photographs, Audio & video clips and softwares on this site are reserved by .