সর্বশেষ আপডেট করা হয়েছে :2017-05-24 
Links
 
এ পর্যন্ত পড়েছেন
জন পাঠক
 
সর্বমোট জীবনী 317 টি
ক্ষেত্রসমূহ
সাহিত্য ( 37 )
শিল্পকলা ( 18 )
সমাজবিজ্ঞান ( 8 )
দর্শন ( 2 )
শিক্ষা ( 17 )
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ( 8 )
সংগীত ( 10 )
পারফর্মিং আর্ট ( 11 )
প্রকৃতি ও পরিবেশ ( 2 )
গণমাধ্যম ( 8 )
মুক্তিসংগ্রাম ( 154 )
চিকিৎসা বিজ্ঞান ( 3 )
ইতিহাস গবেষণা ( 1 )
স্থাপত্য ( 1 )
সংগঠক ( 8 )
ক্রীড়া ( 6 )
মানবাধিকার ( 2 )
লোকসংস্কৃতি ( 0 )
নারী অধিকার আন্দোলন ( 2 )
আদিবাসী অধিকার আন্দোলন ( 1 )
যন্ত্র সংগীত ( 0 )
উচ্চাঙ্গ সংগীত ( 0 )
আইন ( 1 )
আলোকচিত্র ( 3 )
সাহিত্য গবেষণা ( 0 )
Untitled Document
এ মাসে জন্মদিন যাঁদের
সরদার ফজলুল করিম: মে ০১
মুন্সি আব্দুর রউফ: মে ০১
ফয়েজ আহমেদ: মে ০২
জাহানারা ইমাম: মে ০৩
প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার: মে ০৫
মুহাম্মাদ কুদরাত-এ-খুদা: মে ০৮
কলিম শরাফী: মে ০৮
বেগম রোকেয়া (মাস্ত্তরা): মে ১৭
সোমেন চন্দ: মে ২৪
রাবেয়া খাতুন তালুকদার: মে ২৫
রাসবিহারী বসু: মে ২৫
দ্বিজেন শর্মা: মে ২৯
নেত্রকোণার গুণীজন
ট্রাস্টি বোর্ড
উপদেষ্টা পরিষদ
গুণীজন ট্রাষ্ট-এর ইতিহাস
"গুণীজন"- এর পেছনে যাঁরা

If you cannot view the fonts properly please download and Install this file.
 
Untitled Document

 

Online Exhibition
New Prof
ফজল শাহাবুদ্দীন সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী মমতাজ বেগম
 
উপনিবেশবাদবিরোধী বিপ্লবী সোমেন চন্দের জন্মদিন

সোমেন চন্দ জন্মগ্রহণ করেন ১৯২০ সালের ২৪ মে, ঢাকার নিকটবর্তী বুড়িগঙ্গার পশ্চিম পাড়ে শুভাড্ডা ইউনিয়নের তেঘরিয়া গ্রামে।

সোমেন চন্দ অন্যায়, অত্যাচার, অসঙ্গতি ও অসহায়ত্বের কাছে কখনো মাথা নত করেননি। সকল অসঙ্গতির বিরুদ্ধে ছিলেন আপোষহীন। রাজপথে শোষিত মানুষের অধিকার আদায় ও শ্রেণী বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার সংগ্রাম আর লেখালিখির মাধ্যমে সমাজের অসঙ্গতি তুলে আনার অবিচল প্রত্যয়ে তিনি ছিলেন ইস্পাতদৃঢ়। সোমেন চন্দের সাহিত্য ছিল কৃষক-শ্রমিক-মেহনতি মানুষকে ঘিরে। শোষণ-বৈষম্য থেকে মানুষকে মুক্ত করাই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য ও স্বপ্ন। ইস্পাতদৃঢ় সংকল্প নিয়ে শোষণমুক্তির লড়াই-সংগ্রামের পাশাপাশি তিনি সাহিত্যে বিপ্লব ঘটাতে চেয়েছিলেন। সোমেন চন্দ এমন একটি মানুষ, যার সৃষ্টি হতাশাগ্রস্ত প্রতিটি মানুষকে জাগ্রত করে নতুন উদ্যমে পথ চলতে সহয়তা করে।

তাঁর জন্মদিনে 'গুণীজন' তাঁকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছে।

তাঁর বর্ণাঢ্য জীবনী পড়তে ক্লিক করুন।

শিক্ষাবিদ ড. মুহাম্মাদ কুদরাত-এ-খুদার জন্মদিন

১৯০০ সালের ৮ মে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বীরভূম জেলার মাড়গ্রাম গ্রামে নানার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন মুহাম্মাদ কুদরাত-এ-খুদা।

বিজ্ঞানসাধক ও সফল সংগঠক ড. মুহাম্মাদ কুদরাত-এ-খুদা মাতৃভাষায় বিজ্ঞানচর্চার একজন পথিকৃৎ। কর্মজীবনের সকল পর্যায়ে দেশের নানাবিধ উন্নতির জন্য তিনি চেষ্টা করেছেন। স্বাধীনতাউত্তর বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার ওপর সার্বিক আলোচনা ও এর ভবিষ্যত রূপরেখা সম্বন্ধে আলোকপাত-সমৃদ্ধ "কুদরাত-এ-খুদা শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট" তাঁরই অসামান্য অবদান। শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৬ সালে ড. কুদরাত-এ-খুদাকে একুশে পদক ও ১৯৮৪ সালে স্বাধীনতা পদক (মরণোত্তর) প্রদান করে সম্মানীত করেন। চট্টগ্রাম বিজ্ঞান পরিষদ ১৯৭৯ সালে ড. কুদরাত-এ-খুদার নামে একটি স্বর্ণপদক প্রবর্তন করে। ১৯৯০ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ড. মুহাম্মাদ কুদরাত-এ-খুদার বসতভিটায় প্রতিষ্ঠিত হয় ড. মুহাম্মদ কুদরাত-এ-খুদা গ্রামীণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিকাশ কেন্দ্র ও সংগ্রহশালা।

তাঁর জন্মদিনে 'গুণীজন' তাঁকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছে।

তাঁর বর্ণাঢ্য জীবনী পড়তে ক্লিক করুন।

সঙ্গীতশিল্পী কলিম শরাফীর জন্মদিন

কলিম শরাফীর জন্ম ১৯২৪ সালের ৮ মে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার শিউড়ী মহকুমার খয়রাডিহি গ্রামে।

গভীর রবীন্দ্র-অন্তঃপ্রাণ শিল্পী ছিলেন কলিম শরাফী। রবীন্দ্রসঙ্গীতে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি জাতীয় সর্বোচ্চ সম্মান একুশে পদক ও স্বাধীনতা দিবস পদক অর্জন করেছেন। পেয়েছেন নাসিরউদ্দিন স্বর্ণপদক, জেবুন্নিসা-মাহবুবউল্লাহ ট্রাস্ট পুরস্কারসহ বহু সম্মাননা ও পদক। সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি, পেয়েছেন মানুষের অকৃত্রিম ভালবাসা ও সম্মান। বাঙালীর স্বাধিকার আন্দোলন ও একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধেও সম্পৃক্ততা ছিল কলিম শরাফীর। তাই মুক্তিযুদ্ধের সময় লন্ডনে অবস্থানকালে তিনি বাংলাদেশের পক্ষে গড়ে তোলেন জনমত। গান গেয়ে, বিভিন্ন সভা-সমিতিতে অংশ নিয়ে প্রবাসীদের উদ্বুদ্ধ করেন। একপর্যায়ে তিনি লন্ডন থেকে পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানেও তিনি এসব কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখেন।

প্রবীণ রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী-বিশেষজ্ঞ, সংগ্রামী সংস্কৃতিসেবী কলিম শরাফীর জীবন নানা সংগ্রাম ও লড়াইয়ের মন্ত্রে দীক্ষিত, দীপ্ত আর ঋদ্ধ।

তাঁর জন্মদিনে 'গুণীজন' তাঁকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছে।

কলিম শরাফীর বর্ণাঢ্য জীবনী পড়তে ক্লিক করুন।

উপনিবেশবাদবিরোধী বিপ্লবী প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের জন্মদিন

প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের জন্ম ১৯১১ সালের ৫ মে। চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার ধলঘাট গ্রামে।

প্রশিক্ষণ শেষে বীরকন্যা প্রীতিলতার নেতৃত্বে বিপ্লবীরা ১৯৩২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে পাহাড়তলী ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণ করে সফল হন। আক্রমণ শেষে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। এ অবস্থায় ধরা পড়ার আগে সঙ্গে রাখা সায়ানাইড বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। কারণ ধরা পড়লে বিপ্লবীদের অনেক গোপন তথ্য ব্রিটিশ পুলিশের মারের মুখে ফাঁস হয়ে যেতে পারে।

প্রীতিলতার জন্মদিনে 'গুণীজন' তাঁকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছে।

তাঁর বর্ণাঢ্য জীবনী পড়তে ক্লিক করুন।

জাহানারা ইমামের জন্মদিন

জাহানারা ইমামের জন্ম ১৯২৯ সালের ৩ মে মুর্শিদাবাদ জেলার সুন্দরপুর গ্রামে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা-পরবর্তীকালে জাহানারা ইমামের নাম ছড়িয়ে পড়ে তাঁর সামাজিক-রাজনৈতিক ভূমিকার জন্য ৷ অতীতে তিনি রাজনীতি সচেতন হলেও রাজনীতিবিদ ছিলেন না, ভবিতব্যই তাঁকে রাজনীতির অঙ্গনে নিয়ে আসে। স্বাধীনতাবিরোধী ধর্মান্ধ ঘাতক-দালালদের পর্যায়ক্রমিক পুনর্বাসনে অপমানিত ও ক্ষুদ্ধ হয়ে জাহানারা ইমাম মুক্তিযুদ্ধের মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য 'মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি' গঠন করেন। তিনি এর আহবায়ক ছিলেন। এছাড়া তিনি এ বিষয়ে গণসচেতনতা গড়ে তুলতে পুনরায় কলম হাতে তুলে নিয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল বরেণ্য বুদ্ধিজীবী, সংস্কৃতিকর্মী, রাজনৈতিক দল ও কর্মীবৃন্দ, দেশপ্রেমিক তরুণ সমাজ এবং প্রজন্ম '৭১ তাঁর আহবানে এগিয়ে আসেন।

তাঁর জন্মদিনে 'গুণীজন' তাঁকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছে।

জাহানারা ইমামের বর্ণাঢ্য জীবনী পড়তে ক্লিক করুন।

   
Gunijan

© 2017 All rights of Photographs, Audio & video clips and softwares on this site are reserved by .