সর্বশেষ আপডেট করা হয়েছে :2017-03-27 
Links
 
এ পর্যন্ত পড়েছেন
জন পাঠক
 
সর্বমোট জীবনী 311 টি
ক্ষেত্রসমূহ
সাহিত্য ( 37 )
শিল্পকলা ( 18 )
সমাজবিজ্ঞান ( 8 )
দর্শন ( 2 )
শিক্ষা ( 16 )
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ( 8 )
সংগীত ( 10 )
পারফর্মিং আর্ট ( 10 )
প্রকৃতি ও পরিবেশ ( 2 )
গণমাধ্যম ( 8 )
মুক্তিসংগ্রাম ( 150 )
চিকিৎসা বিজ্ঞান ( 3 )
ইতিহাস গবেষণা ( 1 )
স্থাপত্য ( 1 )
সংগঠক ( 8 )
ক্রীড়া ( 6 )
মানবাধিকার ( 2 )
লোকসংস্কৃতি ( 0 )
নারী অধিকার আন্দোলন ( 2 )
আদিবাসী অধিকার আন্দোলন ( 1 )
যন্ত্র সংগীত ( 0 )
উচ্চাঙ্গ সংগীত ( 0 )
আইন ( 1 )
আলোকচিত্র ( 3 )
সাহিত্য গবেষণা ( 0 )
Untitled Document
এ মাসে জন্মদিন যাঁদের
ফজলুর রহমান খান: মার্চ ০২
আলী আহাম্মদ খান আইয়োব: মার্চ ০৮
কাইয়ুম চৌধুরী: মার্চ ০৯
রেহমান সোবহান: মার্চ ১২
আবু হেনা মোস্তফা কামাল: মার্চ ১৩
শেখ মুজিবুর রহমান: মার্চ ১৭
সৈয়দ মাইনুল হোসেন: মার্চ ১৭
এম. এন. রায়: মার্চ ২২
সূর্যসেন: মার্চ ২২
কাজী নূর-উজ্জামান: মার্চ ২৪
মোজাফফর আহমদ: মার্চ ২৭
সত্যেন সেন : মার্চ ২৮
সেলিনা পারভীন : মার্চ ৩১
নেত্রকোণার গুণীজন
ট্রাস্টি বোর্ড
উপদেষ্টা পরিষদ
গুণীজন ট্রাষ্ট-এর ইতিহাস
"গুণীজন"- এর পেছনে যাঁরা

If you cannot view the fonts properly please download and Install this file.
 
Untitled Document

 

Online Exhibition
New Prof
অজয় রায় এবিএম মূসা বুলবুল আহমেদ
 
অর্থনীতিবিদ মোজাফফর আহমদের জন্মদিন

১৯৩৬ সালের ২৭ মার্চ মোজাফফর আহমদ কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। দেশের খ্যাতনামা এই অর্থনীতিবিদ একুশে পদকসহ আরও অনেক পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।

মোজাফফার আহমেদ তাঁর কর্মজীবনে যেখানেই কাজ করেছেন সেখানেই নিজস্বতার ছাপ রেখে এসেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষকতা থেকে শুরু করে ট্র্যান্সপারেন্সী ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) র চেয়ারম্যান পর্যন্ত তাঁর এই পথচলায় যেমন অনেক সংগঠন তৈরী করেছেন তেমনি অনেক প্রতিষ্ঠানকে পৌছে দিয়েছেন উন্নতির শেখরে। যে প্রতিষ্ঠানেই কাজ করুন না কেন তাঁর লক্ষ্য ছিল একটাই আর সেটা হল দেশের জন্য কিছু একটা করা।

তাঁর জন্মদিনে 'গুণীজন' তাঁকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছে।

মোজাফফর আহমদের বর্ণাঢ্য জীবনী পড়তে ক্লিক করুন।

সেক্টর কমান্ডার কাজী নূর-উজ্জামানের জন্মদিন

একাত্তরের মার্চে কর্নেল (অব.) কাজী নূর-উজ্জামান ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা। ২৫ মার্চ পাকিস্তানি বর্বর হানাদার বাহিনী যখন বাঙালী হত্যা শুরু করে বিশেষত ইপিআর-এর সদস্য ও তাদের পরিবার-পরিজনের ওপর নির্বিচারে আক্রমণ চালায় তখন ইপিআর সদস্যদের পরিবার-পরিজনের আর্তনাদ তাঁকে বিক্ষুব্ধ করে তোলে। তিনি তাঁর পরিবার-পরিজনকে ময়মনসিংহ জেলার এক গ্রামে পাঠিয়ে ২৮ মার্চ তৎকালীন কর্নেল শফিউল্লাহর ব্যাটালিয়নে যোগ দেন। মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক কর্নেল এমএজি ওসমানী কাজী নূর-উজ্জামানকে নিজের সাথে রেখে বিভিন্ন কাজের দায়িত্ব অর্পণ করেন। জুলাই মাসে তিনি ৭নং সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পান।

অসীম সাহসী স্বাধীনচেতা এই মানুষটির জন্ম ২৪ মার্চ ১৯২৫ সালে।

তাঁর জন্মদিনে ‘গুণীজন’ তাঁকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছে।

কাজী নূর-উজ্জামানের বর্ণাঢ্য জীবনী পড়তে ক্লিক করুন।

উপনিবেশবাদবিরোধী বিপ্লবী এম. এন. রায়ের জন্মদিন

১৮৮৭ সালের ২২ মার্চ পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার বেলিয়া গ্রামে এম. এন. রায় জন্মগ্রহণ করেন।

ভারত উপমহাদেশকে স্বাধীন করার জন্য তিনি ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই-সংগ্রাম করেছেন। তিনি একজন বিপ্লবী, তাত্ত্বিক ও দার্শনিক ছিলেন। শুধু সর্বভারতীয় কমিউনিষ্ট পার্টির রাজনীতিতেই নয়, আন্তর্জাতিক কমিউনিষ্ট রাজনীতিতেও তাঁর অবদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আমৃত্যু লড়াই করেছেন মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য। মার্ক্সবাদী রাজনৈতিক দর্শনের আলোকে গড়ে তুলেছিলেন নিজেকে। মানবমুক্তির জন্য সারা জীবন কাজ করে গেছেন তিনি।

তাঁর জন্মদিনে ‘গুণীজন’ তাঁকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছে।

এম. এন. রায়ের বর্ণাঢ্য জীবনী পড়তে ক্লিক করুন ক্লিক করুন।

চট্টগ্রামের বিপ্লবী ইতিহাসের মহানায়ক সূর্যসেনের জন্মদিন

দেশের স্বাধীনতার জন্য তিনি ব্রিটিশ শাসন-শোষণ, অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম ও লড়াই করেছেন। সেকারণে ১৯৩৪ সালের ১২ জানুয়ারি ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলিয়ে তাঁকে হত্যা করা হয়। তিনি হাসিমুখে ফাঁসির রজ্জুতে জীবন বিসর্জন দেন।

সূর্যসেন ১৮৯৪ সালের ২২ মার্চ চট্টগ্রামের রাউজান থানার নোয়াপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

তাঁর জন্মদিনে ‘গুণীজন’ তাঁকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছে।

তাঁর বর্ণাঢ্য জীবনী পড়তে ক্লিক করুন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন

অবিভক্ত ভারতবর্ষের গোপালগঞ্জ জেলার পাটগাতি ইউনিয়নের টুঙ্গিপাড়া গ্রামে তিনি ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে তিনি প্রদান করেন এক ঐতিহাসিক ভাষণ। তাতে ছিল নির্দেশনা আর সশস্ত্র সংগ্রামের জন্য প্রস্তুতির কথা। তাঁর নির্দেশনায় দেশের মানুষ দীর্ঘ নয় মাস জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করে ছিনিয়ে আনে স্বাধীনতা।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতে সেনাবাহিনীর বিপথগামী সেনারা ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের শেখ মুজিবুর রহমানের বাসভবন ঘেরাও করে ভেতরে প্রবেশ করে এবং তাঁর পুত্র, পুত্রবধু, স্ত্রী, আত্মীয়-স্বজনসহ ১৭ জনকে গুলি করে হত্যা করে ৷ তাঁর মৃতদেহ হেলিকপ্টারে করে টুঙ্গিপাড়া নেওয়া হয় এবং তড়িঘড়ি করে দাফন করা হয় ৷

তাঁর জন্মদিনে ‘গুণীজন’ তাঁকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছে।

শেখ মুজিবুর রহমানের বর্ণাঢ্য জীবনী পড়তে ক্লিক করুন।

   
Gunijan

© 2017 All rights of Photographs, Audio & video clips and softwares on this site are reserved by .