সর্বশেষ আপডেট করা হয়েছে :2016-12-02 
Links
 
এ পর্যন্ত পড়েছেন
জন পাঠক
 
সর্বমোট জীবনী 309 টি
ক্ষেত্রসমূহ
সাহিত্য ( 37 )
শিল্পকলা ( 18 )
সমাজবিজ্ঞান ( 8 )
দর্শন ( 2 )
শিক্ষা ( 17 )
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ( 8 )
সংগীত ( 10 )
পারফর্মিং আর্ট ( 9 )
প্রকৃতি ও পরিবেশ ( 2 )
গণমাধ্যম ( 7 )
মুক্তিসংগ্রাম ( 149 )
চিকিৎসা বিজ্ঞান ( 3 )
ইতিহাস গবেষণা ( 1 )
স্থাপত্য ( 1 )
সংগঠক ( 8 )
ক্রীড়া ( 6 )
মানবাধিকার ( 2 )
লোকসংস্কৃতি ( 0 )
নারী অধিকার আন্দোলন ( 2 )
আদিবাসী অধিকার আন্দোলন ( 1 )
যন্ত্র সংগীত ( 0 )
উচ্চাঙ্গ সংগীত ( 0 )
আইন ( 1 )
আলোকচিত্র ( 3 )
সাহিত্য গবেষণা ( 0 )
Untitled Document
এ মাসে জন্মদিন যাঁদের
কামরুল হাসান: ডিসেম্বর ০২
নিতুন কুন্ডু: ডিসেম্বর ০৩
আবদুল মতিন: ডিসেম্বর ০৩
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান: ডিসেম্বর ০৩
ক্ষুদিরাম বসু: ডিসেম্বর ০৩
ফ্লোরা জাইবুন মাজিদ: ডিসেম্বর ০৬
দীনেশ গুপ্ত: ডিসেম্বর ০৬
যতীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়: ডিসেম্বর ০৭
আ ন ম গোলাম মোস্তফা: ডিসেম্বর ০৮
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী: ডিসেম্বর ১২
মোস্তফা কামাল: ডিসেম্বর ১৬
শহীদ সাবের: ডিসেম্বর ১৮
বদরুদ্দীন উমর: ডিসেম্বর ২০
মুহম্মদ জাফর ইকবাল: ডিসেম্বর ২৩
আলতাফ মাহমুদ: ডিসেম্বর ২৩
রাবেয়া খাতুন: ডিসেম্বর ২৭
সৈয়দ শামসুল হক: ডিসেম্বর ২৭
রিজিয়া রহমান: ডিসেম্বর ২৮
হামিদা হোসেন: ডিসেম্বর ২৮
জয়নুল আবেদিন: ডিসেম্বর ২৯
সাইদা খানম: ডিসেম্বর ২৯
আজিজুর রহমান মল্লিক: ডিসেম্বর ৩১
ফরিদা পারভীন : ডিসেম্বর ৩১
নেত্রকোণার গুণীজন
ট্রাস্টি বোর্ড
উপদেষ্টা পরিষদ
গুণীজন ট্রাষ্ট-এর ইতিহাস
"গুণীজন"- এর পেছনে যাঁরা

If you cannot view the fonts properly please download and Install this file.
 
Untitled Document

 

Online Exhibition
New Prof
নুরজাহান সন্‌জীদা খাতুন নূরজাহান বেগম .
 
ভাষাসৈনিক আবদুল মতিনের জন্মদিন

সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার ধুবালীয়া গ্রামে ১৯২৬ সালের ৩রা ডিসেম্বর এক কনকনে শীতের রাতে বাবা আব্দুল জলিল ও মা আমেনা খাতুনের ঘর আলো করে জন্ম হল আব্দুল মতিনের।

\'আব্দুল মতিন\' এমন একটি নাম যে নামটি বহন করে চলেছে এক প্রাচুর্যময় ইতিহাস। বাংলা ভাষার নবজন্মের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে আছে এই নামটি। আব্দুল মতিন নামটা যেন প্রসবের বেদনা আর সৃষ্টির আনন্দ একই সাথে ধারণ করে চলেছে।

তাঁর জন্মদিনে \'গুণীজন\' তাঁকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছে।

আব্দুল মতিনের বর্ণাঢ্য জীবনী পড়তে ক্লিক করুন।

শিল্পী নিতুন কুন্ডুর জন্মদিন

কঠোর পরিশ্রম আর শিল্পের সাধনা করে তিনি বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ শিল্পীদের তালিকায় নিজের নাম উঠিয়েছেন। তিনি হলেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট ও সুপরিচিত শিল্পী নিতুন কুন্ডু। নিতুন কুন্ডু ছিলেন যথার্থই একজন \'ভার্সেটাইল\' (Versatile) শিল্পী। বাণিজ্যিক পোষ্টার থেকে নান্দনিক পেইন্টিং- সব শাখাতেই তিনি ছিলেন পারদর্শী।

সেই ত্রিশ দশকের মাঝামাঝি এক উত্তাল সময়ে দিনাজপুর শহরের প্রাণকেন্দ্র বড়বন্দর এলাকায় ১৯৩৫ সালের ৩ ডিসেম্বর জন্ম নেন চিত্রশিল্পী নিতুন কুন্ডু।

\'অটবি\' শিল্পী নিতুন কুন্ডুর বহু চিন্তা ভাবনার ফসল। অটবি শুধু একটি ব্যবসায়িক উদ্যোগ নয়, এটা বাংলাদেশের আসবাবপত্র শিল্পে এক অনন্য বিপ্লব। যা আসবাবপত্র সম্পর্কে মানুষের রুচিবোধের পরিবর্তন ঘটিয়েছে।

তাঁর জন্মদিনে \'গুণীজন\' তাঁকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছে।

নিতুন কুন্ডুর বর্ণাঢ্য জীবনী পড়তে ক্লিক করুন।

আইনজীবী মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের জন্মদিন

১৯২৮ সালের ৩ ডিসেম্বর ভারতের মুর্শিদাবাদ জেলার জংগীপুর মহকুমার দয়ারামপুর গ্রামে মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের জন্ম।

মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান একজন ভাষাসৈনিক, কবি, প্রাবন্ধিক, শিক্ষাবিদ এবং আইনজীবী। বাংলা ভাষা রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পাবার পরেও যখন সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালু হয়নি, তখন তিনি সর্বস্তরে রাষ্ট্রভাষা বাস্তবায়নে একজন ভাষা যোদ্ধার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। আইনজীবী হিসেবে তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন

তাঁর জন্মদিনে ‘গুণীজন’ তাঁকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছে।

মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের বর্ণাঢ্য জীবনী পড়তে ক্লিক করুন।

উপনিবেশবাদবিরোধী বিপ্লবী ক্ষুদিরামের জন্মদিন

ব্রিটিশবিরোধী সশস্ত্র আন্দোলনের কারণে ব্রিটিশ শাসকগোষ্ঠী যাঁকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেছিল, যিনি ফাঁসির মঞ্চে হাসিমুখে মৃত্যুকে বরণ করে নিয়েছিলেন, তিনি আর কেউ নন, বাংলার বিপ্লবী ক্ষুদিরাম।

ক্ষুদিরামের ফাঁসি কার্যকর হয় ১৯০৮ সালের ১১ আগষ্ট। ঘড়িতে তখন ভোর ৪টা। সে সময় ক্ষুদিরামের পক্ষের আইনজীবি ছিলেন শ্রী উপেন্দ্রনাথ সেন। তাঁর ভাষ্যমতে -\"ফাঁসির মঞ্চে ক্ষুদিরাম নির্ভীকভাবে উঠে যান। তাঁর মধ্যে কোন ভয় বা অনুশোচনা কাজ করছিল না। এদেশের নবীন যৌবনের প্রতীক হয়ে হাসিমুখে তিনি উঠে যান ফাঁসির মঞ্চে।\"

ক্ষুদিরাম জন্মেছিলেন ১৮৮৯ সালের ৩ ডিসেম্বর। অবিভক্ত বাংলার মেদিনিপুর জেলার বহুভাইনি গ্রামে।

তাঁর জন্মদিনে \'গুণীজন\' তাঁকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছে।

ক্ষুদিরামের বর্ণাঢ্য জীবনী পড়তে ক্লিক করুন।

চিত্রশিল্পী কামরুল হাসানের জন্মদিন

কামরুল হাসান ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর বর্ধমান জেলার (বর্তমানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যাধীন) কালনা থানার নারেঙ্গা গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।

তাঁর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ-বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা অঙ্কন। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার পাশাপাশি তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকারী প্রতীকেরও ডিজাইন করেন।

১৯৭১ সালে ইয়াহিয়ার দানবমূর্তি সম্বলিত পোস্টার এঁকে কামরুল হাসান বিশেষভাবে খ্যাতি অর্জন করেন। কামরুল হাসানের আঁকা ইয়াহিয়ার দানবমূর্তি বিষয়ক কার্টুন সম্বলিত পোস্টারটির ভাষা ছিল এইরূপ : (বাংলায়) এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে। সমগ্র মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে এই পোস্টারটি যেন সম্পৃক্ত হয়ে আছে।

তাঁর জন্মদিনে \'গুণীজন\' তাঁকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছে।

কামরুল হাসানের বর্ণাঢ্য জীবনী পড়তে ক্লিক করুন।

   
Gunijan

© 2016 All rights of Photographs, Audio & video clips and softwares on this site are reserved by .